sheikh-k
11/3/2016 - 1:40 PM

banWritings.txt


যাকে প্রথম দর্শনে ভাল লাগবে না,সে যদি পৃথিবীর সবচেয়ে ভালমানুষও হয় তবুও তার প্রতি আমার মনোভাব হবে, "ভাংতি নাই।আগে যাও।"

আমি উন্মাদ..
আমি বর্বর...
হ্যাঁ আমিই সেই প্রতিক্ষীত নওজোয়ান!!!

আমি নিশ্চুপ থাকি তার মানে এই নয় যে আমি ভাষাহীন...
আমি অকারনেই অনেক হাঁসি তার মানেই এই নয় যে আমি একটা বধ্য উন্মাদ...
আমার চোখে অবিরাম অশ্রু ঝরে যায় তার মানে এই নয় যে আমি পরাজিত কোন এক সৈনিক...
আমি ভালবাসিনা তার মানে এই নয় যে আমি ভালবাসতে জানি না...
আমার ধৈর্য অনেক কম তার মানে এই নয় যে আমি ধৈর্যহীন...
আমি বিশ্বাস করিনা তার মানে এই নয় যে আমি বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে জানি না...
আমি অল্পতেই রেগে যাই তার মানে এই নয় যে আমি বর্বর...
আমি মাত্রাতিরিক্ত শাসন করি তার মেনে এই নয় যে আমি আদর জানি না...
আমি কিছুই চাই না তার মানে এই নয় যেন আমার পাবার কোন আকাঙ্ক্ষা নেই...


কেউ কেউ অবিরাম চুপি চুপি 
চেহারাটা পাল্টে সাজে বহুরূপী 
বোঝা তো যায়না তাদের মতিগতি!
সমাজের ছোট বড় অসঙ্গতি!
ইত্যাদি ... ইত্যাদি ... (from ittadi theme song)

OMK!!! - O Mor Khoda!!!
সিরিয়াসলি ম্যান? পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম!

Akash_FST:
এই গ্রহের সবথেকে নির্মম কারাগার তোমার টাইমলাইন... সেখানে যাবজ্জীবন বন্দী হয়ে আছে আমার দু চোখ...ইনবক্সে একটি মাত্র sms আসার অপেক্ষায় অনন্তকাল ধরে scrolling এর ঘানি টানছে আমার আঙ্গুল গুলো... চেনা সংবিধানের অচেনা এক ধারায় সেই কবে থেকে সশ্রম কারা দণ্ডে দণ্ডিত এই আমি... জেলার সাহেব, আসামী জামিন কবে পাবে?

it has been raining gots and cows....!!!!!!! :-D :-D :-D


====JAJABOR PAKHNA - MONKEY BUSINESS===
জানি আমি এটা এক সত্যি সত্যি ভোর
জানি আমি এটা নয় কোনো কল্পনা
জানি আমি এটা নয় স্বপ্ন স্বপ্ন ঘোর
জানি আমি এটা কোনো দুখের কল্পনা
+ / - 
এভাবে কাটে যদি din কেটে যাক না
এ শহর খুজে পাক যাযাবর পাখনা
কিছূ মেঘ আবেগে গায়ে মেখে থাক না
কিছু মেঘ আকাশে সূদূরে হারাক না

তয় হেতি একটা MAL (Most Attractive Lady)

act like i know nothing... আরে এইডা আবার কইতে অয় নাকি??? আমি তো ফিরেশতার লাহান ভালা মানুষ।
যাই হউক, এতো সুন্দর কইরা যে ছবিডা তুলছে উনার নাম Sk Typhoon Zaman 

ঘুমাই ২/৩টায় উঠিও ২/৩টায়। (পার্থক্য কেবল এএম পিএমের !) 

পিঠ দেখালেই / hot (gorom) hoilei ba laglei স্বস্তিকা আর এঞ্জেলিনা হওয়া যায়না। তবে একটা কথা মনে রাখা উচিত - উড়ে যাওয়া পাও রুটি, চুলার পাতিল থেকে উতলে যাওয়া দুধ, আর বাবা মার বিগড়ে যাওয়া সন্তান। এই তিনটার মধ্যে মিল কোথায়?
- মিল হচ্ছে একটু নজর দিলে এমন হতনা

যারা actual সুন্দর, তাদের দেহ expose করা লাগে না।। মানুষের attention পাওয়ার জন্য Cheap mentality & publicity .... Shame on you

শখ ক্লিক করা ...... ফটোগ্রাফার হওয়া না......


-----<<<<<মোর গাঁয়েরও সীমানার
পাহাড়ের ওপারে
নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি।
প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি।
কান পেতে শুনি আমি-
বুঝিতে না পারি।
চোখ মেলে দেখি আমি-
দেখিতে না পারি।
চোখ বুজে ভাবি আমি-
ধরিতে না পারি।
হাজার পাহাড় আমি-
ডিঙোতে না পারি।
নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি।
প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি।->>>>>>-----
হতে পারে কোন যুবতীর-
শোকভরা কথা।
হতে পারে কোন ঠাকুমার-
রাতের রূপকথা।
হতে পারে কোন কৃষকের-
বুকভরা ব্যথা।
চেনা চেনা সুরটিকে কিছুতে না চিনি।
নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি।
প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি।
শেষ হল কোন যুবতীর-
শোকভরা কথা।
শেষ হল কোন ঠাকুমার-
বলা রূপকথা।
শেষ হল কোন কৃষকের-
বুকভরা ব্যথা।
চেনা চেনা সুরটিকে কিছুতে না চিনি।
নিশীথ রাত্রির প্রতিধ্বনি শুনি।
প্রতিধ্বনি শুনি, প্রতিধ্বনি শুনি।
মোর কালো চুলে সকালের সোনালী রোদ পড়ে।
চোখের পাতায় লেগে থাকা কুয়াশা যায় সরে।
জেগে ওঠা মানুষের হাজার চিৎকারে-
আকাশছোঁয়া অনেক কথার পাহাড় ভেঙে পড়ে।
আকাশছোঁয়া অনেক কথার পাহাড় ভেঙে পড়ে।
মানবসাগরের কোলাহল শুনি।
নতুন দিনের যেন পদধ্বনি শুনি।
পদধ্বনি শুনি, পদধ্বনি শুনি।
মোর গাঁয়েরও সীমানার
পাহাড়ের ওপারে
নতুন দিনের যেন প্রতিধ্বনি শুনি।
প্রতিধ্বনি শুনি।
প্রতিধ্বনি শুনি আমি প্রতিধ্বনি শুনি।


পাড়ার সবচেয়ে কালো ছিল যে ভাইয়াটি, যে কি না মাঝে মাঝেই নিজের ঘরে মুখ লুকিয়ে কাঁদতো, সেই ভাইয়াটিকেই আজ একটি সুন্দর ফুটফুটে আপুর পাশে দেখা যায় ।
তারা বিয়ে করেছেন ।
ক্লাসের শেষ রোলের ছেলেটি— যে কি না প্রায়ই বিরক্ত হয়ে বই ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলতো, তাকেই আজ দেখা যায় পাজেরোতে চেপে অফিস যেতে ।
হ্যাঁ, সে আজ দেশের বিখ্যাত একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ।
রাগের কারণে যে ছেলেটি ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, পাড়ার যেকোন গন্ডগোলে যেই ছেলেটিকে ছুঁড়ি হাতে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে দেখা যেত, সেই আজ মাথা ঠান্ডা রেখে পরিচালনা করে পুরো একটি ব্রিগেড ফোর্স । কাঁধভর্তি চকচকে স্টার আর জাতীয় প্রতীক শাপলা । সে আজ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা ।
যে ছেলেটি এক ফোঁটা রক্ত দেখলেই মাথা ঘুরে পড়ে যেত, সেই আজ অপারেশন থিয়েটারে রক্ত নিয়ে হাত মাখামাখি করে ফেলে । হ্যাঁ, সে আজ দেশের নামকরা একজন ডাক্তার ।
..........সবকিছুই বদলে যায় । বদলে যায় সমাজ, মানুষ আর মানুষের জীবন ।
শুধু দরকার একটু ধৈর্যের ।
স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটার কাছে ছ্যাঁকা খেয়ে আজ আপনি আত্মহত্যা করতে দৌঁড়াচ্ছেন, অথচ আপনি জানেনই না সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য ক্লাসের নয়, পুরো স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটাকে সৃষ্টি করে রেখেছেন ।
ক্লাস টেস্টে ফেল করে আপনি পড়ালেখাই বাদ দিতে চাইলেন, অথচ ভবিষ্যতে মেডিকেলের গেটটি আপনার পদধূলির জন্য উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছে ।
ছোটখাটো ব্যর্থতা সবার জীবনেই থাকে, থাকবে ।
এই ব্যর্থতায় হতাশ হলে চলবে না । তাহলে দুঃখী মুখটাতে কখনোই হাসির ঝিলিক দেখা যাবে না ।
সবকিছুই একসময় বদলে যাবে । আপনার হতাশাও একসময় রুপ নেবে প্রাণোচ্ছ্বল হাসিতে ।
কিন্তু দরকার একটু ধৈর্য । হতাশার সময়টিতে শুধু এই একটি জিনিসই বদলে দিতে পারে আপনার পুরো জীবনকে ।
.........তাই মানসিকভাবে ভেঙ্গে না পড়ে একটু ধৈর্য ধরুন ।
সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন, বিশ্বাস রাখুন নিজের উপর । বিশ্বাস রাখুন এই কথাটির উপর— "হ্যাঁ, আমি পারবই-
collected


জীবনে যা-ই ঘটুক, সব কিছুর জন্যই প্রস্তুত থাকি। তাই জীবনে ঘটা কোন কিছুতেই তেমন অবাক হইনা, বড় কোন বিপদে পড়লেও অপ্রস্তুত হয়ে যাই না। এমন ভাব দেখাই, যেন এটা হবে তা বহু আগে থেকেই জানতাম! সব কিছু স্বাভাবিকভাবে নেবার মত পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি খুবই কম মানুষকে দেখেছি।
অনেকেই সহজ একটা ব্যাপারকে কঠিনভাবে দেখিয়ে খুব জ্ঞানীর মত অহংকার প্রদর্শন করে। কিন্তু আমার কাছে সত্যিকার জ্ঞানী তারাই যারা কঠিন কাজকে সহজ বানাতে সচেষ্ট হয়। যেমন, বহু বিজ্ঞানীরা আমাদের জীবনকে কত সহজ করে দিচ্ছেন।

আমার মনে হয়, জীবন আসলেই খুব সহজ। মানুষই ইচ্ছে করে একে ভয়ানক কঠিন বানিয়ে ফেলেছে।

জীবনে প্রয়োজন ও চাওয়া -এ দুটো বিষয়ের পার্থক্য বুঝতে পারা খুব জরুরী। তার চেয়েও জরুরী নিজেকে জানতে পারা।
আমি নিজেকে খুব ভালোভাবে জানি, এবং এটাও খুব ভালোভাবে বুঝি যে, আমার কোনটা প্রয়োজন ও কোনটা আমি চাই। যে জিনিসটা আমি চাই, কিন্তু একদমই আমার কোন প্রয়োজনে আসবে না, এমন অপ্রয়োজনীয় বস্তুর পেছনে কোন অর্থ ব্যায় করতে একদমই রাজি নই।

নতুন যেকোন বিষয়ের প্রতি আগ্রহী থাকি সবসময়। নিজেও যা করি, সেটাই নতুনভাবে কিছু করার চেষ্টা করি। যারা পুরোনো ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধ্যান, ধারণা নিয়ে বসে থাকে, কিছুতেই সেগুলো ছাড়তে চায় না, তাদের বলতে ইচ্ছে হয়- "মানুষ যদি আদিম কালের মানুষের মত পশুর চামড়া গায়ে জড়িয়ে রাখার ঐতিহ্য থেকে যদি সরে না এসে নতুন কিছু না ভাবত, তাহলে এখনও আমাদের পশুর চামড়া দিয়েই লজ্জা নিবারণ করতে হত।"

সবাই যেটা করে, সেটা না করারই চেষ্টা করি। না হলে বৈচিত্র্যহীন রোবটের মত পৃথিবীর সবাই একই কাজ করে যাবে, এমন যান্ত্রিক পৃথিবীর অংশ হতে চাই না। অন্তত আমি এই বোরিং সিস্টেমের অংশ হতে পারব না।

পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষের জীবনঃ
"সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে চলে যায় খাদ্য সংগ্রহের কাজে বা অর্থ উপার্জন করতে। আবার রাতে ফিরে এসে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। পরের দিন সকাল থেকে আবার সেই একই কাজের পুণরাবৃত্তি।"
পশুর জীবনঃ
"সকালে ঘুম থেকে উঠে সারাদিন খাবার সংগ্রহ করে রাতে ফিরে আসে। খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। পরের দিন সকাল থেকে আবার একই কাজের পুণরাবৃত্তি।"
উপরের পশুর জীবনের সাথে মানুষের জীবনের তেমন কোন পার্থক্য দেখছি না। তাই ঠিক করেছি, সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমি কখনোই এমন পশুর মত একঘেয়ে-রোবটিক-পাশবিক জীবন-যাপন করব না, করছিও না।


বেশীদিন বাঁচতে চাই না। তবে যতদিন বাঁচব, স্বাধীনভাবে বাঁচব। কোথায় কত উঁচু, বা নিচু অবস্থানে আছি -সেটা নিয়ে ভাবি না। কেমন আছি, সেটাই আমার কাছে মূখ্য। বিশ্বে সেরা ধনী হয়ে অসুখী থাকা এবং গরীব হয়ে আনন্দে থাকা -এ দুটোর মধ্যে বেছে নিতে বললে আমি গরীব-ই হতে চাইব।



জীবনে যা-ই ঘটুক, সব কিছুর জন্যই প্রস্তুত থাকি। তাই জীবনে ঘটা কোন কিছুতেই তেমন অবাক হইনা, বড় কোন বিপদে পড়লেও অপ্রস্তুত হয়ে যাই না। এমন ভাব দেখাই, যেন এটা হবে তা বহু আগে থেকেই জানতাম! সব কিছু স্বাভাবিকভাবে নেবার মত পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি খুবই কম মানুষকে দেখেছি।
অনেকেই সহজ একটা ব্যাপারকে কঠিনভাবে দেখিয়ে খুব জ্ঞানীর মত অহংকার প্রদর্শন করে। কিন্তু আমার কাছে সত্যিকার জ্ঞানী তারাই যারা কঠিন কাজকে সহজ বানাতে সচেষ্ট হয়। যেমন, বহু বিজ্ঞানীরা আমাদের জীবনকে কত সহজ করে দিচ্ছেন।

আমার কাছে স্বাধীনতার বহু গবেষণালব্ধ সংজ্ঞাঃ
"১। কারো ক্ষতি না করে,
২। কোন অন্যায় কাজ না করে,
৩। কোন অনৈতিক কাজ না করে,
৪। কাউকে বিরক্ত না করে,
৫। কোন ভালো মানুষকে কষ্ট না দিয়ে,
৬। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে,
৭। কারো ব্যাক্তিগত জীবনে সেই ব্যাক্তির অনুমতি ব্যাতিত হস্তক্ষেপ না করে,
৮। দেশের ও নিজ ধর্মের আইন অনুযায়ী কোন অবৈধ কাজ না করে
- নিজের যা ইচ্ছা, তা-ই করে বেঁচে থাকার নামই হলো স্বাধীনতা।"



ছোটবেলা থেকে সবাই একটা প্রশ্ন করে থাকে-
"বড় হয়ে কি হতে চাও?"
<>
অনেকেই গার্ডিয়ানের শেখানো উত্তর ঝেড়ে দেয়-
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাবসায়ী, পাইলট ইত্যাদি...
<>
আমি বলি-
জীবনে একটা কিছু কেন হব? আমার তো পৃথিবীতে যত ভালো কাজ আছে সব কিছুরই স্বাদ নিতে মন চায়। জীবন তো এক পিস-ই। Science, Arts, Commerce -সব বিষয়েই আগ্রহ আছে। সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের জন্য মুখিয়ে থাকি। এই জীবনে কমার্স পড়ে ব্যাবসায়ী হয়ে মারা গেলাম, এখন বিজ্ঞানী হবার ইচ্ছা পূরণের জন্য আমাকে আরেকটা জীবন দেয়া হবে না, অথবা শিল্পী হবার শখ মেটানোর জন্য সৃষ্টিকর্তা আমাকে আরেকটি জীবন দেবেন না- এটা খুব ভালো করেই জানি আমি। তাই যা ইচ্ছা, এই এক পিস ছোট্ট জীবনের অল্প কিছু সময়ের ভেতরেই সময় নষ্ট না করে, যতটা পারি করে যেতে চাই।
<>
তাই যারা বলে, "একসাথে দুই নৌকায় পা রেখো না!"
তাদের কথা উড়িয়ে দিয়ে একসাথে অনেক নৌকায় পা রেখেছি, সামনে আরো বহু নৌকা যোগ হবে। সামনে যে ভালো কাজেই আগ্রহী হব, সেটাই করতে থাকব। ক্যারিয়ার আর টাকা উপার্জনের নেশায় পড়ে মুখ ডুবিয়ে শুধু ক্যারিয়ার বিল্ড-আপ করে যারা বর্তমানের মূল্যাবান সময় শেষ করছে, আমি তাদের দলে নেই।
<>
মরার সময় এমন কোন আফসোস রাখতে চাই না-
"টাকা তো অনেক উপার্জন করলাম, কিভাবে কিছু টাকা বেশী আয় করা যায় সে চিন্তা না করে যদি নিজের যেটা ইচ্ছা হয় সেভাবেই কোন ভালো কাজ বা কোন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের কাজে সেই সময়টা কাটাতাম , তাহলে হয়তো এত বড় কিছু হতে পারতাম না, কিন্তু অনেক শান্তির সাথে চোখটা বন্ধ করতে পারতাম।"



About of a blogger "Roddur" - রোদ্দুর অসম্ভব ভ্রমণ প্রিয়। দর্শন, কবিতা এবং বৃষ্টি এসবই সমান ভাবে ভালবাসে রোদ্দুর। চে গুয়েভারা কিংবা ফিডেল ক্যাস্ট্রোর ব্যক্তিত্ব সবসময় হাতছানি দিয়ে ডাকে রোদ্দুরকে। রোদ্দুরের রক্তের সাথে মিশে আছে গান, অবসরে মাইকেল ডেভিড রোসেনবার্গের গান নতুন করে প্রাণশক্তি যোগায় রোদ্দুরের মনে। বই পড়তেও অসম্ভব ভালবাসে রোদ্দুর, শরৎচন্দ্রের সৃষ্টিশীল লেখনী কিংবা লেনিনের সংগ্রামী জীবনী রোদ্দুরকে উদ্দীপ্ত করে মানুষকে নিয়ে ভাবতে - এসবই রোদ্দুরের কাল্পনিক অবয়ব আঁকার চেষ্টা মাত্র, ধ্রুবসত্য হচ্ছে রোদ্দুর তারুণ্যের প্রতিচ্ছবি, সৃষ্টিশীল নির্ভীক কেউ একজন!

কখনো কি ভেবে দেখেছ,
জীবনের মঞ্চে দাড়িয়ে হাসিমুখে একনাগাড়ে মিথ্যে বলে যাওয়া -
আবার সাত দিনের জন্য এলাম।
শুভ সকাল!

যেদিন থেকে সিগারেটের শেষ টান টা তোমার প্রথম চুমোর চেয়েও উষ্ণ মনে হবে ,সেদিন স্ট্রেইট বলে দিব,আর ভালবাসি না !!!

শনশন উত্তাল হাওয়ায়,
চৌরাস্তার ল্যাম্পপোস্ট হাঁপায়-
এক কাপ গরম চায়ে,
আমি ভবঘুরে ঝড়,
তোমাদের খুব কাছে
ভিজে একাকার 

পুড়ছে শহর,পুড়ছে স্মৃতি!
তার সাথে পাল্লা দিয়ে নিকোটিন ও পুড়ছে!
তবে আমি তুমি বাদ যাব কেন?

ছবি কথা বলুক না ,ক্যাপশানের বালাই নেই !

আমরা কিন্তু চাইলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে, শীত প্রধান দেশে গরম রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারি!

যথেষ্ট পরিমাণ শুকনা খাবার, খাবার পানীয় আর ফার্স্ট এইড নিয়ে বের হওয়া উচিত ছিলো। আর কিছুক্ষন জ্যামে আটকে থাকলে ত্রান নিয়ে আসা ছাড়া সরকারের কোন উপায় থাকবে না।

বাসা থেকে বেরিয়ে জ্যাম নাই দেখলে ঢাকাকে ঢাকার ফেইক আইডি মনে হয়!

আমাদের শহর এমনিতে মরুভূমির মত শুকনো, শুধু বৃষ্টি হলে নদী হয়ে যায়!

প্রতিবেশীর প্রতি কিছু দায়িত্ব থাকে, যা চাইলেও এড়ানো যায় না। একটা ম্যাচ হেরে যদি প্রতিবেশীর বাড়ী ঘর রক্ষা করা যায় তাতে ক্ষতি কি!

ভারতকে মাঠে হারানো সহজ, কিন্তু স্টার স্পোর্টসের হাইলাইটসে হারানো প্রায় অসম্ভব! এই মূহুর্তে বাংলাদেশ ভারতকে হাইলাইটসেও হারাচ্ছে।

দোকানে চা খাওয়া শেষে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম "মামা কত হইছে?
মামা বললেন "১১৩, তিন উইকেটে, জিততে আরো ৮৭রান লাগে"।

বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম খুব খারাপ। তারা টেস্টে স্পিনার নামালো চারজন। তাই দেখে ভারত স্পিন প্র্যাকটিস করলো। তারপর তারা ওয়ানডেতে চারজন পেসার নামিয়ে দিলো!

ভারতীয় ক্যাপ্টেন বোলিং চেঞ্জ করবার সময় বলেছে "তোমাদের মধ্যে পরবর্তীতে কে মার খেতে চাও?

নিষিদ্ধ ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট)


কেমন আছেন?
-কেমন আছি জেনে কি করবেন?
মানুষ কেমন আছেন জিজ্ঞেস করলে এভাবে উত্তর দেয়!
-কীভাবে উত্তর দেয়?
আপনার জানা উচিত
-জেনে কি করবো?
সেটাতো পরের হিসাব।
-পরের হিসাব কেন? এখন কী দোষ করলো?
দোষ করে নাই।
-তাহলে বললেন যে?
এমনি।
-এমনি কেন?
আচ্ছা অন্যকথা বলি। একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে চাচ্ছি
-কী প্রশ্ন?
প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করা কি আপনার স্বভাব?
-আজব তো! স্বভাব হবে কেন হবে?


••সময় চলে যায়, আমি সময়ের সাথে পা বাড়াই, কখনো পিছনে ফিরে তাকাই না.........কি পেলাম, কি হারালাম এসব হিসাব নিকাশ কখনো করি নি! কখনোও করবোও না ।যা হারানোর হারিয়েছি,যা পাওয়ার পেয়েছি! যেটা হারিয়েছে সেটা না হারালেও খুশি অখুশি হতাম না,যা পেয়েছি সেটা না পেলেও খুশি অখুশি হতাম না! আমার ফেলে আসা জীবনে একটাই উপলব্ধি -Life is beautiful ...

••এমিনেমের একটা কথা আমার খুব ভাল্লাগে । “I don't care if you're black,white, straight, bisexual, gay, lesbian, short, tall, fat, skinny, rich or poor. If you're nice to me, I'll be nice to you. Simple as that.”

এইটা আমার মনের কথার ভগ্নাংশ । বাকি কথা হচ্ছে,"if u show me ur "vab" then i will show you my middle finger and it will nt be my headache that who you are. i dont care anyonE"

••কে কি বলে এইসব নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না । যে কোনো কিছু করতে গেলে দিনে অনেকের কাছে অনেক কথাই শুনতে হয় । কেউ আশা দেয়,কেউ হতাশ করার চেষ্টা করে । এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু দিন শেষে এরা কেউ আমার সাথে থাকে না । দিনশেষে দিনের সব প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তি আমাকেই স্পর্শ করে । তাই আমি কারো কথায় কান দেই না । সব প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি আমার । চিন্তা ভাবনাও আমার । মানুষের কথা কানে নেয়ার কোনো মানে দেখি না ...

•• আমাকে নিয়ে কে কি ভাবে এইসব নিয়েও আমার মাথাব্যাথা নাই । কেউ যদি মনে করে আমি ছেলেটা খারাপ তাহলে খারাপ,কিছু করার নাই । কেউ যদি মনে করে আমি ভালো তাহলেতো ভালই। আমি আমার মতোই থাকি,আমার মতো চলাফেরা করি। মানুষের সামনে নিজেকে আড়াল করে ভালো সাজার কোনো ইচ্ছা নাই । তবে আমাকে নিয়ে কার কেমন ধারণা এটা মোটামুটি আমি জানি ।

¤ আমার বাবা মায়ের কাছে আমি খুবই ভালো একজন ছেলে । কি কারণে জানি না,তাঁরা আমার উপর খুব আস্থা রাখে ।আমার মতামতের খুব বেশি মূল্য দেয় । ফ্যামিলির খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে আমার বাবা মা একমত কিন্তু আমি যদি বলি এইটা করা যাবেনা, তাহলে ঐটা হবে না । আমার বাবা আমাকে মাঝে মধ্যে বুদ্বিজীবী বলে ডাকে । মাঝে মধ্যে সকালে ঘুম খেকে উঠে বাবার মুখোমুখি হলে বাবা বলে
"এই যে,বুদ্বিজীবী সাহেব ঘুম ভালো হলো তো ?"
আমি উত্তর দেই না । মাথা ঝাকাই । যার অর্থ ঘুম ভালো হয়েছে । বুদ্বিজীবী টাইপ ভাব । বাবা আমার ভঙ্গি দেখে আনন্দ পায় । আমারও ভালো লাগে ।

¤আমার বন্ধুরা আমাকে নিয়ে কি ভাবে এইটা আমি খুব ভালো করে জানি । কিন্তু বলবো না । আমার ফ্রেন্ডরা আমার ফ্রেন্ডলিস্টে আছে । তাদের ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না । যা আছে তাদের মনে,তা আছে আমারও মনে ।

•• প্রকৃতির যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভালো লাগে সেটা হলো জোত্‍স্না । বলাইবাহুল্য জোত্‍স্না জিনিসটা আমার কপালে খুব একটা জোটে না । মাঝে মধ্যে যখন গ্রামে যাই আর যদি কপাল থাকে তাহলেই জোত্‍স্না দেখার সৌভাগ্য হয় । যেদিন জোত্‍স্না হয় সেদিন আমি ছাদে গিয়ে বসে থাকি কিংবা বাইরে বেরিয়ে যাই। মুগ্ধ হয়ে প্রকৃতি দেখি । আমি একবার একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম ।"আমি একা একটা শূন্য প্রান্তরে। ভরা জোত্‍স্নার মধ্যে উথাল পাথাল বৃষ্টি । আমি তার মধ্যে হেটে হেটে যাচ্ছি ।" উফফ মাথা খারাপ করা একটা দৃশ্য । জীবনে একবার,মাত্র একবার এবং শুধুমাত্র একবার যদি এই মুহুর্তটা পাইতাম .... । প্রকৃতি জোত্‍স্না রাতে তার যে অপার রুপ সৌন্দর্য ঢেলে দেয় আমি তার সাথে নিজেকে মিশিয়ে ফেলতে চাই । কিন্তু আমি সে সুযোগ খুব একটা পাইনা । সত্যিই আমি অনেক দূর্ভাগ্যবান !

•• আমার এই ক্ষুদ্র জীবনের অলস সময়ের বিশাল একটা অংশ জুড়ে আছে হুমায়ুন আহমেদ এবং তাঁর উপন্যাস । আমার চিন্তা চেতনাকে যে মানুষের লেখা সবচেয়ে বেশি ডমিনেট করতে পারে তিনি হলেন হুমায়ুন আহমেদ । আমি আমার জীবনে অনেক মৃত্যু দেখেছি কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু আমি যতটা গভীরভাবে অনুভব করেছি,অন্যকারো মৃত্যু এতটা গভীরভাবে অনুভব করিনি,এতটা কষ্ট পাই নি । মানুষের আত্মহত্যার কারণ হিসেবে আমি যা জানি তাতে মানুষ যখন তার বেঁচে থাকার কোনো কারণ খুঁজে পায় না তাখন আত্মহত্যা করে ।এইদিক থেকে আমাকে কখনো আত্মহত্যা করতে হবে না ।আমার বেঁচে থাকার সব কারণ যদি হারিয়ে যায় তারপরেও একটা কারণ তখনও থাকবে- হুমায়ুন আহমেদের লেখা । আমি সেগুলো নিয়ে ঘরের এক কোণে বসে পড়ব । বেচে থাকার জন্য আমার তখন কোনো কিছুর প্রয়োজন পড়বে না

***** •• যখন আর্টসেলের গান শুনি তখন মনে হয় রুম্মান আহমেদের মতো লিরিসিস্ট কিংবা এরশাদের মতো গিটারিস্ট কিংবা সেজানের মতো বেজিস্ট কিংবা সাজুর মতো ড্রামার অথবা লিংকনের মতো ভোকালিস্ট হতে পারলে জীবনে আর কিছু চাওয়ার থাকত না । জীবনটা অপূর্ণই রয়ে গেল ...

•• আমি যুক্তি জিনিসটা খুব পছন্দ করি। যুক্তিবাদী মানুষদেরও খুব পছন্দ করি । যুক্তির জায়গায় অযৌক্তিক বালছাল বকা পাবলিক আমার ভালো লাগে না । যারা যুক্তি বোঝে না তাদেরও ভালো লাগে না ।

•• মানুষের বাইরের দিকের চাইতে তার মানসিক দিকটাই আমাকে বেশি আকর্ষণ করে । যখনই একটা মানুষের সাথে পরিচিত হই তখনই জানতে ইচ্ছা করে এই মানুষের মনের মধ্যে কি আছে !!এই মানুষের মানসিক দিকটা কেমন ? সহজ নাকি জটিল ?এই মানুষের মনের মধ্যে কি গভীর কোনো কষ্ট আছে কিংবা হতাশা ??আমার চোখের সামনে যা ঘটে আমি খুব মনোযোগ দিয়ে তা দেখি ।আমার চোখের সামনে কেউ একটা কাজ করল,আমি সবসময়ই চিন্তা করি, এই কাজের পেছনে এই মানুষটার মোটিভ কি ?তার মনের মধ্যে কি ছিল এই কাজ করার পেছনে ? আমি অনেক উত্তর পেয়ে যাই ।অনেক সময় অনেক ছোট একটা কাজ অনেক বড় কিছুর দ্বার খুলে দেয় ।আবার অনেক বড় কাজের পেছনে থাকে খুবই ক্ষুদ্র একটা কারণ । যে মানুষের সাথে আমার কোনোদিন কথা হয়নি কিন্তু চোখের সামনে দেখি তার মনের অনেক কথা দূর থেকে বুঝতে পারি । মানুষের মন মারাত্বক রকমের জটিল । আমি এই জটিল জিনিসটার সহজ ব্যবচ্ছেদ আমাকে আকর্ষণ করে। আমি মানুষকে খুব ভালো চিনতে পারি । খুব দ্রুত ভালোভাবে চিনতে পারি ...


এই শহর ব্যাস্ততার রোষানলে, সভ্যতা গড়ছে নাগরিক,
আমি তখন অলস মস্তিস্কে শয়তানের কারখানার একনিষ্ঠ শ্রমিক।

এই যে ব্যস্ততা বাড়ছে, এই যে নিকোটিন!
জ্বালিয়ে দেয়া সিগারেটে ধোয়াচ্ছন্ন বেডরুম
প্রতিদিন ভাল্লাগেনার ছাই জমে এস্ট্রেতে
ব্যাস্ততার কালচে লাইটার, এই যে অলস ঘুম!
এক কপি স্বপ্ন আসে সৌজন্য কপি হয়ে
সারারাত ঘুমিয়ে থাকি প্রচ্ছদে হাত বুলিয়ে।

এটাই আমি,
এখানেই আমি।
যে ছেলেটা নির্লিপ্ত হাসি দিয়ে
জীবন দেখে।
শুকনো খড়ের মাঝে
জীবন না খুজে,
দ্বীধাহীন,
স্বপ্নহীন,
রাস্তায় হাঁটে
ধুলো উড়িয়ে।
সেটাই আমি

আমার মধ্যে আমি স্বতন্ত্র জীবন যাপন করে থাকি!

“ সত্য একবার বলতে হয়; সত্য বারবার বললে মিথ্যার মতো শোনায়। মিথ্যা বারবার বলতে হয়; মিথ্যা বারবার বললে সত্য ৰলে মনে হয়॥ ”
—হুমায়ূন আজাদ।

“ চিন্তা কর বেশি, বল অল্প এবং লেখ তার চেয়েও কম॥ ”
—জন রে।

“ স্কুলে যা শেখানো হয়, তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে; তাই হলো শিক্ষা॥ ”
—অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।

ভুল, সবই ভুল
-জনৈক কবি